মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাত তের গাইবান্ধার ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালকের (মিডিয়া) পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
গ্রেফতারকৃত সায়েদ আলী সরকার উপজেলার নাকাই গ্রামের মৃত্যু আব্দুল মান্নান সরকারের ছেলে । তিনি ওই হত্যা মামলার ৫ নং এজাহারভুক্ত আসামি।
এর আগে আজ ভোররাতে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝপাড়া উত্তর শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব- ১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্প জানায়, মামলার বাদী শাহ আলেম পরিবারের দখলীয় জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে আর আসামিদের বিরোধ চলে আসছিল। প্রায় দেড় শতাংশ জমি দখলের উদ্দেশ্যে আসামিপক্ষ সেখানে সীমানা প্রাচীন নির্মাণের চেষ্টা করে । ওই বিরোধ নিষ্পত্তি লক্ষ্যে গত ১২ মে উভয় পক্ষের সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করা হলে তা মেনে নেয়নি আসামিপক্ষ। এ ঘটনার জের ধরে বাদী পক্ষের সদস্যদের উপর হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় গুরুতর আহত হয় আনিসুর রহমান । তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ১৩ মে সকালের দিকে মারা যায় আনিসুর রহমান।
অভিযোগ রয়েছে, হামলার পর আসামিরা বাদী পক্ষের দুইটি মোটরসাইকেল আগুন দেয়, বসত বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় । এছাড়াও নাকাই বাজারে আনিসুর রহমানের বিকাশ এজেন্ট এর দোকান ও তার চাচাতো ভাই মেহেদী হাসানের ফার্মেসির দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ ঘটনায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে ১৫ মে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হত্যা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আসামিদের গ্রেফতার তৎপর হয়ে ওঠ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্প ও র্যাব- ১২ বগুড়া ক্যাম্পের যৌথ অভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে সায়েদ আলী সরকারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালকের (মিডিয়া) পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।