শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে যান। তারা স্থানীয়দের সাথে কথা বলে সড়কের কাজ বন্ধের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
তদন্ত কমিটির আহবায়ক এয়াকুব নবী বলেন, ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নিয়ম না মেনে সাইফুর রহমান রতন কাজটি অনলাইনের মাধ্যমে বাগিয়ে নেয়। এ নিয়ে মূলত মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলার পর তারা চাঁদা দাবির বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে চাঁদা দাবির কোন বিষয়ে তদন্ত কমিটি সত্যতা পায়নি।।
সদস্য এডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরী জানান, চাঁদাদাবীর বিষয় নিয়ে তারা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছেন। আশা করছি দুইদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।
কমিটির অপর সদস্য কফিল উদ্দিন মামুন জানান, ঠিকাদারি ব্যবসার দ্বন্দ্ব থেকে জেলা বিএনপির দুই সদস্য বিরোধে জড়িয়েছেন। চাঁদাদাবীর কারনে কাজ বন্ধ হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় অত্যাধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত: চাঁদাদাবী করায় সড়ক উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে দেয়ায় বিএনপি নেতা কামরুল হাসান মাসুদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন সাইফুর রহমান রতন। অবশ্য মাসুদ দাবী করেছেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাননি এমনকি কারো কাছে চাঁদাও দাবী করেননি।