সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে রামপাল উপজেলার প্লানের বাজার মসজিদের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রামপাল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
জাহিদুর রহমান টুটুল প্লানের বাজার এলাকার বাসিন্দা।তিনি উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, মল্লিকেরবের ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে রামপাল উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রামপাল উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান টুটুল বলেন “গতকাল সোমবার দলীয় কাজে মোংলা উপজেলায় গিয়েছিলাম। সন্ধ্যার পরে বাড়িতে আসি। কিছুক্ষন পরে ভাগ্নেদের ফোন পেয়ে আবার বাড়ি থেকে বের হয়ে প্লানের বাজারের দিকে যাওয়ার জন্য রওনা দেই। বাড়ি থেকে বের হয়ে ২০ গজ রাস্তায় হাটার পরেই নদীর পাশ থেকে চারজন মুখোশ পড়া লোক আমাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। তাকিয়ে দেখি কালো মুখোশ পড়া চার জন লোক, তিনজনের হাতে রামদা এবং একজনের হাতে বন্ধুক।
একজন বলতেছে টান দে। মুহুর্তের মধ্যেই আমি দৌড়ে যাই এবং চিৎকার করি। আর মসজিদের সামনে থেকে দুই জন লোক টর্চ লাইট মারে। আমি দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যাই, পরে আর তাদের পাওয়া যায়নি।”
জাহিদুর রহমান টুটুল আরও বলেন, “আমি মনে করি তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এসেছিল। আমার ব্যক্তিগত কোন শত্রু নাই। আমি মল্লিকের বের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষনা দিয়েছি। এই কারণেই হয়ত আমাকে হত্যা করতে চায় কেউ। তবে কে বা কারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন সে বিষয়ে জানাতে পারেননি এই বিএনপি নেতা।” এ ঘটনায় রামপাল থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান জাহিদুর রহমান টুটুল।
রামপাল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবু বলেন, খবর শুনে আমরা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেছি।জাহিদুর রহমান টুটুল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তার উপর হামলার চেষ্টা নিন্দনীয়। তদন্ত পূর্বক এই ঘটনায় জড়িতদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোহাম্মদ শেখ রাজীব আল রশিদ বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পুলিশের আরও একটি দল ওই এলাকায় তদন্ত করবে। এছাড়া জাহিদুর রহমান টুটুল এখনও কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।