রোববার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান বলেন, ‘ইউনিটটি কিছুক্ষণ আগে গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তবে পূর্ণ উৎপাদনে যেতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।’
আদানি পাওয়ারের একটি সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই আজ ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে ইউনিটটি সফলভাবে চালু করা সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর প্রক্রিয়া শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইউনিটটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। ওই রাতে বিদ্যুতের ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়।
পরদিন শুক্রবার চাহিদা কম থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তবে গতকাল মধ্যরাতে লোডশেডিং বেড়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।
বর্তমানে বাংলাদেশে ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে। ৮০০ মেগাওয়াটের এই ইউনিটটি চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।