আজ ৫ আগস্ট সকাল নয়টায় নগরীর শিববাড়ি মোড়ে জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিভগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, কেসিসি, কেডিএ, কেএমপি, খুলনা রেঞ্জ পুলিশসহ খুলনার বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তৃতীয় স্থামে পৌষ প্রস্তাব ও দর্পণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারন, কেসিসি"র প্রশাসক নজরুল ইসলাম মন্জু, কেডিএ'র চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন।
সকাল সাড়ে নয়টায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং সকাল ১০টায় শহিদ সাকিব রায়হানের কবর জিয়ারত করা হয়।
৫ আগস্ট সুবিধাজনক সময় শিববাড়ি মোড়, শহিদ হাদিস পার্ক, ময়লাপোতা মোড়, জোড়াগেট, গল্লামারী খুলনা বিশ^বিদ্যালয় সংলগ্ন, রূপসা মোড়, নতুন রাস্তা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যত্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র/প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বাদ যোহর বা সুবিধাজনক সময়ে মসজিদসমূহে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহিদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জুলাই শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিকাল চারটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল পাঁচটায় শহিদ হাদিস পার্ক ও শিবাবাড়ি মোড়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরবরাহকৃত চলচ্চিত্র বা প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার সরকারি-বেসরকরি-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জাদুঘরসমূহ বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা এবং সরকারি-বেসরকারি বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য উন্মুত্ত রাখা ও বিনা টিকিটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। দুপুরে সকল সরকারি হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার, শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানা দ্বারা সজ্জিত করা হয়। সুবিধাজনক সময়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করবে। দিনব্যাপী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আলোকসজ্জা এবং সুবিধাজনক সময়ে গ্রাফিতি অঙ্কন করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলাসমূহেও অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হয়।