যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে ৭ টি প্রধান ট্রেনিং হলো (বেসিক)কম্পিউটার ট্রেনিং, পোশাক তৈরী, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স, রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনার এবং খন্ডকালীন বা বিশেষ ট্রেনিং হলো ইয়ুথ কিচেন, বিউটিফিকেশন, হস্ত ও ইম্প্যাক্ট প্রকল্প বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ।
বর্তমান উপপরিচালক মাহমুদা খাতুন মাত্র কয়েক মাস দায়িত্ব নিয়েছেন সরজমিনে দেখা যায় ৭ টি ট্রেডে প্রায় ১৮ লাখ টাকা অর্থমন্ত্রণালয় কেটে নিয়ে গেছে এবং বাংলাদেশের প্রায় ৫০ টি জেলার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একই অবস্থা। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ডিডি, এডি মিলে সরকারি টাকা হরিলুটের মহোৎসব, ভুয়া বিল ভাউচারে জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন খাতের টাকা আত্মসাৎ, বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণ ভাতা এবং প্রশিক্ষকদের প্রাপ্য বিল আটকানো, সহকারী পরিচালক পিয়নদের দিয়ে অফিসের কাজের বদলে বাসার ব্যাক্তিগত কাজ করান ইত্যাদি তথ্যর কোন হদিস পাওয়া যায়নি।
গাড়ী চালক নরেশ ট্রান্সফার হয়েছে ফরিদপুর জেলায় তিনি দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর চাকরি করেছেন মাগুরায়। নাইটগার্ড বা নৈশ্য প্রহরী রিপন খুলনায় বদলি করা হয় ১৫ বছরের উর্ধ্বে মাগুরায় ছিলেন পরে ডেপুটেশনে তাকে ফরিদপুরে বদলি করা হয়। উপপরিচালক মাগুরা জানান যে এই সকল বদলী প্রধান কার্যালয়ের আদেশে হয়েছে।
মাগুরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদা খাতুন বলেন, পারিবারিক কারণে স্বেচ্ছায় বদলী হয়েছি চুয়াডাঙ্গা জেলায়। চুয়াডাঙ্গা জেলার উপপরিচালক ফিরোজ আহম্মেদ মাগুরায় বদলী হয়েছেন তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কারনে আমাকে কিছুদিন পরে চুয়াডাঙ্গায় যোগদান করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। আমি দ্রুত সময়ের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা কার্যালয়ে যোগদান করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও বলেন মাত্র কয়েক মাস মাগুরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে উপপরিচালক হিসেবে সরকারি দায়িত্ব পালন করছি সততা ও নিষ্ঠার সাথে। আর কিছু মানুষ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা বানোয়াট ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে।