সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

এক্সক্লুসিভ

তারেক রহমানকে ভারতে নিতে এত উতলা কেন মোদি সরকার?

তারেক রহমানকে ভারতে নিতে এত উতলা কেন মোদি সরকার?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে। কিন্তু সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বরং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনে সফরটি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এর মধ্যেই ভারতীয় কর্মকর্তাদের একের পর এক বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, নয়াদিল্লি তারেক রহমানের সফরটি দ্রুত আয়োজন করতে আগ্রহী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তারেক রহমানকে এরই মধ্যে দুই দফা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রথমটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ। পরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়।

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে এখন সময়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর আগে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য ২১ আগস্টের একটি সম্ভাব্য তারিখ ভারতের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছিল বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসেছে।

ঢাকার ‘অনুকূল পরিবেশ’-এর শর্ত
 

ভারতীয় কূটনৈতিক মহলের দাবি, তারেক রহমানের সফরের পথে সবচেয়ে বড় জটিলতা তৈরি হয়েছে ঢাকার দেওয়া বার্তা নিয়ে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে গত ১০ আগস্ট প্রথম বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান জানায় ঢাকা।

এর কয়েকদিন পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, দুই দেশের কর্মকর্তারা তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে সফরের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ প্রয়োজন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি আরও কঠোরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাসহ ভারতে অবস্থানরত কয়েকজনের প্রত্যর্পণ এবং রাজনৈতিক পরিবেশ স্বাভাবিক করার মতো বিষয়গুলো সফরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বক্তব্যে এমন কোনো নির্দিষ্ট শর্তের উল্লেখ করা হয়নি।

সফর আয়োজনে ভারতীয় হাইকমিশনারের দৌঁড়ঝাপ

তারেক রহমানের ভারত সফর আয়োজনে বেশ দৌড়ঝাপ করছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। গত ১০ আগস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরদিনই দিল্লিতে ছুটে যান তিনি। সেখানে গিয়ে সরাসরি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশনা চান ত্রিবেদী।

এরপর থেকেই তিনি বলছেন, দুই দেশের সমস্যাগুলো বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব এবং তারেক রহমানের ভারত সফর ‘আরও দ্রুত’ হওয়া উচিত। তার মতে, দুই দেশের দুই শীর্ষ নেতা মুখোমুখি বসলে অনেক অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে।

ত্রিবেদী আরও বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশ শুধু প্রতিবেশী নয়; দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থও রয়েছে। বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, নিরাপত্তা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার গত ১৮ আগস্ট স্পষ্ট বলেছেন, নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ভারত সফরে গেলে তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান ও স্মরণীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হবে। তার কথায়, ভারত সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

তারেক রহমান ও দিনেশ ত্রিবেদী

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। ১৪ আগস্টের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে সাংবাদিকেরা বারবার তারেক রহমানের সফরের সময়, ব্রিকসের আগে না পরে সফর হবে এবং শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সঙ্গে সফরের কোনো শর্ত যুক্ত আছে কি না—এসব বিষয়ে প্রশ্ন করেন।

জয়সওয়াল প্রতিবারই মূলত একই কথা বলেছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পরে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনের জন্যও আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অগ্রগতি হলে জানানো হবে।

এই বক্তব্যের তাৎপর্য হলো, দিল্লি প্রকাশ্যে ঢাকার শর্ত নিয়ে কোনো পাল্টা শর্তে যাচ্ছে না। বরং আমন্ত্রণটি বহাল রেখে আলোচনার দরজা খোলা রাখছে।

অর্থাৎ দিল্লির বার্তা হচ্ছে, সমস্যাগুলোকে সফরের পথে বাধা না বানিয়ে বরং সফরকেই সমস্যার সমাধানের একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হোক।

সাবেক কূটনীতিকদের সতর্কবার্তা

ভারতের সাবেক কূটনীতিকদের বক্তব্য অবশ্য ভিন্ন সুর তৈরি করেছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি ঢাকার অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সঙ্গে তারেক রহমানের ভারত সফরকে যুক্ত করা কূটনৈতিকভাবে অনুপযুক্ত। তার মতে, প্রত্যর্পণ একটি আইনি প্রক্রিয়া; সেটিকে দ্বিপক্ষীয় সফরের সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ‘অত্যন্ত রূঢ়’ ও ‘অহংকারী’ বলেও মন্তব্য করেন ভারতের সাবেক এই কূটনীতিক।

সম্ভাব্য ভারত সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি যুক্ত করায় তারেক রহমানের সমালোচনা করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব কানওয়াল সিবালও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ‘তারেক রহমান এমন এক গর্ত খুঁড়ছেন, যেখান থেকে আর বের হতে পারবেন না।’

এর চেয়েও কঠোর ভাষায় ঢাকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি। তারেক রহমান ভারতে না গেলে দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

তবে সাবেক এসব কূটনীতিকের বক্তব্য ভারতের সরকারি অবস্থান নয়। এগুলো তাদের ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ। ফলে দিল্লির নীতিকে বোঝার ক্ষেত্রে সরকারি বক্তব্যের সঙ্গে এ ধরনের মতামত আলাদা করে দেখা জরুরি।

তাহলে দিল্লি এত আগ্রহী কেন?

এর উত্তর খুঁজতে হলে শুধু একটি সফরের দিকে তাকালে হবে না। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পুরোনো কাঠামো বদলে গেছে। শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তাকে ফেরত চাচ্ছে ঢাকা। একই সময়ে বাংলাদেশের নতুন সরকার চীনসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। ফলে দিল্লির জন্য ঢাকার নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি ও উচ্চপর্যায়ের সম্পর্ক তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরও এই হিসাবকে প্রভাবিত করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বহুমুখী অংশীদারত্বের বার্তা গেছে। ভারতের দৃষ্টিতে এটি এমন একটি বাস্তবতা, যেখানে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে আগের মতো শুধু রাজনৈতিক যোগাযোগ যথেষ্ট নয়।

এর সঙ্গে আছে নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতির প্রশ্ন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত। উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও যোগাযোগের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক কৌশলগত হিসাবেও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ।

হাসিনা ইস্যুতে আটকে আছে আস্থা

সবচেয়ে বড় সমস্যা অবশ্য শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন তিনি। তার প্রত্যর্পণের জন্য ঢাকা একাধিকবার অনুরোধ করেছে। ভারত জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরীক্ষা করা হচ্ছে।

গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনার একটি ভার্চুয়াল বক্তব্য ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কে আরও উত্তেজনা তৈরি হয়। ভারত বলেছিল, ওই আয়োজনটি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এবং ভারত সরকার এর সঙ্গে জড়িত নয়। কিন্তু ঢাকার কাছে বিষয়টি ছিল অত্যন্ত স্পর্শকাতর।

এ অবস্থায় তারেক রহমানের দিল্লি সফর শুধু একটি আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর নয়। এটি দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের পরীক্ষাও হতে পারে।

শেষ পর্যন্ত কী হবে?

দিল্লি যে তারেক রহমানকে ভারতে নিতে আগ্রহী, তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে একাধিক স্তরে। মোদীর দুই দফা আমন্ত্রণ, হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর দ্রুত সফরের পক্ষে বক্তব্য এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণ বহাল রাখার ঘোষণা—সব মিলিয়ে ভারতের আগ্রহ স্পষ্ট।

কিন্তু ঢাকার অবস্থানও বদলায়নি। সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগে রাজনৈতিক পরিবেশে আস্থা ফেরাতে হবে। হাসিনার প্রত্যর্পণ, ভারতে তার রাজনৈতিক তৎপরতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পুরোনো বিরোধগুলো তাই সফরের আলোচনার বাইরে থাকছে না।

ফলে প্রশ্নটি এখন শুধু তারেক রহমান দিল্লি যাবেন কি না, তা নয়। আসল প্রশ্ন হলো, ঢাকা ও দিল্লি এই সফরকে কি অতীতের হিসাব মেটানোর জায়গা বানাবে, নাকি নতুন সম্পর্কের দরজা খোলার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করবে। দিল্লির তাড়াহুড়োর পেছনে সম্ভবত এই দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিই সবচেয়ে বড় কারণ। আর ঢাকার ‘অনুকূল পরিবেশ’-এর দাবি বলছে, সেই নতুন সম্পর্কের ভিত্তি হবে—তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি।

আরও

অর্থের সঙ্গে বাড়ছে সংস্কারের চাপ, ঋণের কঠিন পরীক্ষা

এক্সক্লুসিভ

অর্থের সঙ্গে বাড়ছে সংস্কারের চাপ, ঋণের কঠিন পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক দাতা ও ঋণদাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন মোড় নিচ্ছে। বিশ্বব্যাংক ব্যাংক খাত সংস্কারে অর্থ দিচ...

২০২৬-০৯-১৪ ১২:৩১

রাজধানীতে ৩০০-এর বেশি ছিনতাই স্পট, তালিকায় ১,৩৮৭ অপরাধী

এক্সক্লুসিভ

রাজধানীতে ৩০০-এর বেশি ছিনতাই স্পট, তালিকায় ১,৩৮৭ অপরাধী

রাজধানীতে ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। ছিনতাইকারীদের হাতে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও আ...

২০২৬-০৯-১২ ১৪:২৪

অর্থনীতির বড় অংশ করের বাইরে, রাজস্ব আটকে যাচ্ছে যেভাবে

এক্সক্লুসিভ

অর্থনীতির বড় অংশ করের বাইরে, রাজস্ব আটকে যাচ্ছে যেভাবে

বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় হয়েছে। মানুষের আয় ও ব্যবসার পরিধি বেড়েছে। ডিজিটাল লেনদেনও দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায়...

২০২৬-০৯-১০ ১২:৪৬

দুই বছরে ২৩ পুলিশের আত্মহত্যা, সংকট কি শুধুই পারিবারিক?

এক্সক্লুসিভ

দুই বছরে ২৩ পুলিশের আত্মহত্যা, সংকট কি শুধুই পারিবারিক?

দেশে দুই বছরে অন্তত ২৩ পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু নথিতে এসব মৃত্যুর কারণ হিসেবে বারবার উঠে এসেছে একই ধরনের শব্...

২০২৬-০৯-০৯ ১৩:৩১

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ‘নেই’

এক্সক্লুসিভ

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ‘নেই’

ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতে অবস্থানকারী ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সময় যত ঘনিয়ে আসছ...

২০২৬-০৯-০৬ ১২:৪৯

রাজনীতিতে বিএনপির ৪৮ বছর, সামনে কঠিন পরীক্ষা

এক্সক্লুসিভ

রাজনীতিতে বিএনপির ৪৮ বছর, সামনে কঠিন পরীক্ষা

প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্ণ করলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক পথচলায় ক্ষমতা, আন্দোলন, ভাঙন, দমন-পীড়ন ও...

২০২৬-০৯-০১ ১২:৩০