গত বছর এমআইই পাথওয়েজের এনসিইউকে গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা ছিল ৩২, এই সংখ্যা বেড়ে চলতি বছর ১৪৮-এ দাঁড়িয়েছে, যা বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পাথওয়ে প্রোগ্রামের প্রতি আগ্রহ বাড়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেছে।
অনুষ্ঠানে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ, একাডেমিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিইউকের চিফ একাডেমিক অফিসার সুজান বার্টলেট, এছাড়া অতিথিদের মধ্যে ছিলেন এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মর্তুজা, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জহিরুল ইসলাম এবং প্রজেক্ট ডিরেক্টর নিল আপটন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বক্তব্য ও একাডেমিক স্বীকৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েটদের উচ্চশিক্ষার অগ্রযাত্রার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।
এনসিইউকে ফাউন্ডেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার পর এমআইই পাথওয়েজের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য এগিয়ে যাচ্ছেন।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে এমআইই পাথওয়েজ। বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে প্রতিষ্ঠানটির শাখা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নয় মাসের এনসিইউকে আইএফওয়াই প্রোগ্রাম ও-লেভেল, এএস, এ-লেভেল বা এইচএসসি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের বিদেশে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য প্রস্তুত করে। এ প্রোগ্রামে একাডেমিক দক্ষতার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা ও উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয় স্টাডি স্কিল উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এনসিইউকের তথ্য অনুযায়ী, আইএফওয়াই প্রোগ্রামটি ইউকে ন্যারিকের বেঞ্চমার্কিং অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের জিসিই এ-লেভেলের সমমানের হিসেবে বিবেচিত। ইংল্যান্ডে এটি অফকোয়াল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং ইউকে এনিক এর সমমান যাচাইয়ের আওতায় রয়েছে।
যোগ্য শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এনসিইউকের ৮০টির বেশি অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেতে পারেন। ২০২৬ সালের কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, এনসিইউকের অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১০টি বিশ্বের শীর্ষ ১০০ এবং ২১টি শীর্ষ ২০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে।
এমআইই পাথওয়েজ সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ২০২৬ সালের গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে তাদের কার্যক্রমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।