মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, অবসরপ্রাপ্তরা দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশে অবস্থান করায় প্রতি মাসে নির্ধারিত বিল ফরম হিসাব শাখায় জমা দিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এই সমস্যা দূর করতে গত ২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. আলী রেজা ফারুককে সভাপতি এবং হিসাব শাখার (পেনশন গ্রুপ) ডেপুটি ট্রেজারার মো. দেলোয়ার হোসেনকে সদস্য-সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির প্রধান সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—বাকৃবির পেনশন ও সব ধরনের ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইন বা অটোমেশন সফটওয়্যার পদ্ধতিতে পরিচালনা করা। অনলাইন পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে প্রতি মাসে আলাদা করে বিল ফরম জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া, পেনশনভোগীদের যাবতীয় তথ্যের সুরক্ষিত ডাটাবেস তৈরি করার কথা বলা হয়েছে, যাতে অবসরপ্রাপ্তরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে ‘লাইভ ভেরিফিকেশন’ সম্পন্ন করে সহজেই পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
প্রতিবেদন গ্রহণকালে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সেবক ও গর্বের অংশ। তাঁদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে প্রদান করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” কমিটির সুপারিশগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
কমিটি হস্তান্তরের সময় অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. রুস্তম আলী, এডিশনাল ট্রেজারার মো. সাজ্জাদ হোসেন মণ্ডল, এডিশনাল রেজিস্ট্রার মো. সাহেবুল ইসলাম খাঁন এবং আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে ট্রেজারার (অ. দা.) প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির ও রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।