চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে ১৫ মার্চ বন্দরে এসেছে এবং বর্তমানে ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করছে। জাহাজটি এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস করেছে এবং এর সম্পূর্ণ খালাস শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় ১৯ মার্চ ২০২৬। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, জাহাজটি আগামীকাল বুধবার বন্দরে ভিড়বে।
অন্যদিকে, ‘এলপিজি সেভেন’ জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে ৮ মার্চ আগমন করে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৭০২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস হয়েছে এবং জাহাজটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় ২০ মার্চ ২০২৬। জাহাজটি শুক্রবার বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে।
তালিকায় আরও দেখা যায়, মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যে কার্গো খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে। এর মধ্যে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারতের বিভিন্ন বন্দর থেকে আসা জাহাজগুলো এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও ও বেস অয়েল সরবরাহ করেছে।
এ ছাড়া কয়েকটি জাহাজ বর্তমানে ‘প্যাসেজ’-এ রয়েছে, অর্থাৎ তারা বন্দরের পথে রয়েছে। এর মধ্যে কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে আসা জাহাজ রয়েছে, যেগুলো এলএনজি, এইচএসএফও, এলপিজি ও বেস অয়েল বহন করছে।
তথ্যগুলো নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজগুলোর আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।’