বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত প্রস্তাবের আওতায় ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন কেনা হবে। এই চার কোটি লিটার ভোজ্যতেল আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ৬৪৫ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন (২ লিটারের পেট বোতল) কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৩৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই তেল সরবরাহ করবে ঢাকার শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এতে প্রতি লিটার পাম অলিনের দাম পড়বে ১৮৩ টাকা ৯৫ পয়সা।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার আরেকটি প্রস্তাবও পাস হয়েছে। ২৭৭ কোটি ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সয়াবিন তেল কেনা হবে অস্ট্রেলিয়ার এমসিজি ইন্টারন্যাশনাল পিটিওয়াই লিমিটেড থেকে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৪ টাকা ৭৭ পয়সা।
ভোজ্যতেলের পাশাপাশি নিম্নবিত্তদের জন্য টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় বিতরণের লক্ষ্যে ২২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এতে সরকারের মোট খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১৬৭ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা।
এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজির বস্তায়) সরবরাহ করবে চট্টগ্রামের মেসার্স পায়েল অটোমেটিক ফুড প্রসেসিং মিলস। ৮১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার এই চালানে প্রতি কেজি ডালের দাম পড়বে ৮১ টাকা ৪৭ পয়সা।
বাকি ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার এমসিজি ইন্টারন্যাশনাল পিটিওয়াই লিমিটেড থেকে আমদানি করা হবে। ৮৫ কোটি ৭৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ের এই চালানে প্রতি কেজি ডালের আমদানি মূল্য পড়বে ৭৪ টাকা ৮৬ পয়সা।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সরকারিভাবে এই বিপুল পরিমাণ নিত্যপণ্য সংগ্রহের ফলে বাজারে পণ্যগুলোর মূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য পৌঁছে দেওয়া আরও সহজ হবে।