এ সময় বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মোস্তফা সরকার, মানবিক বিভাগের শরিফ আহমেদ, কুড়িগ্রাম কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের মানবিক বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সাকিব আল হাসানসহ আরো অনেকে।
আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীরা ‘শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করো ’, ‘শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবীসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, পরীক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো বিবেচনা না করে পরীক্ষা পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কারণে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছেন তারা।
পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় অনেক পরীক্ষার্থীকে পানি, কাদা পেরিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। কেউ কেউ নৌকায় করে কেন্দ্রে পৌঁছেছেন। এতে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পরীক্ষা দিতে হয়েছে।
তারা বলেন, যতদিন জলাবদ্ধতা থাকবে, যতদিন বন্যা পরিস্থিতি থাকবে এবং আবহাওয়া পরীক্ষার অনুকূলে না আসবে, ততদিন পরীক্ষা স্থগিত রাখা উচিত ছিল। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার্থীদের পরিস্থিতি বিবেচনা করেননি।
আন্দোলনকারীরা আরও অভিযোগ করেন, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল এবং প্রশ্নের মান নিয়েও তাদের আপত্তি রয়েছে। ভুল প্রশ্নপত্র তৈরির সাথে যাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে যথাযথ তদন্তপূর্বক বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানান পরীক্ষার্থীরা। তারা বলেন, কঠিন প্রশ্ন নিয়ে তাদের আপত্তি নেই, তবে পরীক্ষার্থীরা যে পাঠ্যসূচিতে প্রস্তুতি নিয়েছে সেই অনুযায়ী মূল্যায়ন হওয়া উচিত।
এছাড়াও গত ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা পরীক্ষায় উপস্থিত হতে পারেনি তাদের বিষয়ে সহানুভূতিশীলতা বিবেচনা করে অতি দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান দাবি করেন তারা|