নিহত আফিয়ানা জান্নাত মুমু ঢাকার দৌলতপুর এলাকার আব্দুল হাইয়ের মেয়ে। তিনি পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর আফড়া গ্রামে তাঁর নানাবাড়িতে থাকতেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মুমু কুরাপাড়া রেলগেট এলাকায় বেশ কিছু সময় ধরে ঘোরাফেরা করছিলেন। বেলা ১১টার দিকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকায় পৌঁছালে তিনি ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। এতে ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।
পরে স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের মা আমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার মেয়ে বিবাহিত। তবে সে নানাবাড়িতে থাকত। আমরা ঢাকায় থাকি। কেন সে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছে, তা আমরা জানি না।’
মুমুর স্বামী আকাশ আলী বলেন, ‘সকালে মুমু আমার কাছে মোবাইল চেয়েছিল। আমি কাজে যাওয়ার সময় ফোনটি সঙ্গে নিয়ে যাই। সে কখন বাড়ি থেকে বের হয়েছে, তা আমার জানা নেই। পরে জানতে পারি, ট্রেনের ধাক্কায় আমার স্ত্রী মুমু মারা গেছে।’
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।