ম্যাচে সবদিক থেকেই প্রবল দাপট ছিল কাতালানদের। স্কোরলাইন সেই দাপটের স্পষ্ট প্রমাণ। রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক ছাড়াও একটি করে গোল করেছেন জোয়াও ক্যান্সেলো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও লামিনে ইয়ামাল। আরেকটি গোল হয় রেসিং ফুটবলারের আত্মঘাতী অবদানে।
প্রতিপক্ষকে শুরু থেকেই চেপে ধরার দরুন দ্রুতই লিড নেয় বার্সেলোনা। অষ্টম মিনিটে ক্যান্সেলোর ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া বুলেট গতির শট ক্রসবারে লেগে জাল কাঁপে। রেসিং তখন পুরোদমে কোণঠাসা, ১৯ মিনিটে বার্সা দ্বিগুণ লিড নেওয়ার কাছাকাছি ছিল। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিলেন করিম আদেয়েমি। তিন মিনিটের ব্যবধানে আক্রমণে উঠে ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হন রাফিনিয়া। পেনাল্টিতে ব্রাজিল ফরোয়ার্ড স্কোরলাইন ২-০ করেন।
ধারার বিপরীতে আক্রমণে গিয়ে ৩০ মিনিটে ডি-বক্সে কোনাকুনি শটে রেসিংয়ের ব্যবধান কমান মাগুয়েত গেয়ি। তবে মিনিট ছয়েক বাদে তাদের জালে আবারও বার্সেলোনার গোল। তবে ক্যান্সেলোর জোরালো শটে রেসিং গোল হজম করে নিজেদের এক ফুটবলারের গায়ে লেগে দিক পাল্টে গেলে। রাফিনিয়া নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোল করেন ৪২ মিনিটে। ফাঁকা জায়গায় ওলমোর পাস পেয়ে জালে জড়ান তিনি।
করিম আদেয়েমি ফাউলের শিকার হলে বিরতির আগমুহূর্তে আরেকটি পেনাল্টি পায় বার্সা। তবে ইয়ামালের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন রেসিং গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধে নেমেও এই স্প্যানিশ তারকার শট পোস্টে আঘাত করে। ৬৫ মিনিটে গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনির ভুলে গোল হজম করে স্বাগতিকরা। প্রতিপক্ষের চ্যালেঞ্জের মুখেও বল ক্লিয়ার না করার পর তিনি পিছলে পড়ে গেলে রেসিংয়ের ইয়াসির জাবিরি টোকায় জালে ঠিকানা খুঁজে নেন।