মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রথমে সই করেছে বিএনপি। যারা নির্বাচনের পরে জুলাই সনদ নিয়ে গলা ফাটিয়েছে, তাদেরকে প্রশ্ন করা যায়—এত দরদ থাকলে আগে কেন সই করল না?”
তিনি আরও বলেন, সনদ স্বাক্ষরের সময়ও বিরোধীদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। কেউ প্রথমে সই করবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে ছিল, আবার কেউ তখনই সই করেনি, পরে নির্বাচনের পর হঠাৎ করে স্বাক্ষর করেছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কারা অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় এবং স্বৈরাচারী প্রবণতা ফিরিয়ে আনতে চায়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”
সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপিই প্রথম সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। ২০১৬ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটি সংস্কার রূপরেখা দেয় এবং ২০২৩ সালে ৩১ দফা ঘোষণা করে।
তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে গঠিত সংস্কার কমিশনের অনেক প্রস্তাবই বিএনপির পূর্ববর্তী ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
গণতান্ত্রিক চর্চা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। যুক্তি ও সংলাপের মাধ্যমেই সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।