মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “পহেলা বৈশাখ উৎসব মূলত আনন্দের জন্য। এখানে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক বিভেদের স্থান নেই।”
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ কেবল তাত্ত্বিক সমাজ বিশ্লেষণের বিষয় নয়, এটি বাঙালির আনন্দ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক মিলনমেলা।
মন্ত্রী ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে সম্ভাবনাময় বছর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আগামী বছর সরকার কৃষি-নির্ভর অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করবে।
তিনি জানান, ঐতিহাসিকভাবে হিজরি সন ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয়ে বাংলা নববর্ষের কাঠামো গড়ে উঠেছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল কৃষক ও কৃষি অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করা।
বর্তমান সরকারের কৃষকবান্ধব নীতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে কৃষকদের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করেছেন এবং সেখানে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ।