শুধু ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এ তিন মাসেই ঋণ বেড়েছে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বর শেষে ঋণের পরিমাণ ছিল ১১২.২১ বিলিয়ন ডলার। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বভার নেওয়ার সময় দেশের মোট ঋণ ছিল ১০৩.৪১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রায় দেড় বছরে ঋণ বেড়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।
ঋণ বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে সরকারি খাত থেকে, যা মূলত উন্নয়ন ব্যয় ও বাজেট ঘাটতি সামাল দিতে নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়ে ১৯.৬৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০.০৫ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈদেশিক ঋণ নিজে সমস্যা নয়, যদি তা উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করা হয়। তবে সুদ ও কিস্তি পরিশোধের চাপ, ডলার সংকট এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরতা বিবেচনা করলে এর সঠিক ব্যবস্থাপনা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থনীতিবিদরা তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন—ঋণের কার্যকর ও উৎপাদনশীল ব্যবহার, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং নতুন ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা।