প্রস্তাবিত নিয়মে বলা হয়েছে, ১১১ থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলে বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসি পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলে বছরে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই নতুন কর কাঠামো যুক্ত করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০টি।
বর্তমানে মোটরসাইকেল মালিকদের অগ্রিম আয়কর দিতে হয় না। শুধু এককালীন রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রতি দুই বছর পরপর রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।
৫০ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন ফি প্রায় ৯ হাজার ২৯১ টাকা এবং ১২৫ সিসির বেশি হলে প্রায় ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা। এরপর প্রতি দুই বছরে কিস্তিভিত্তিক রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মোটরসাইকেলকে করের আওতায় আনা হলে করজাল সম্প্রসারিত হবে এবং অন্যান্য খাতের ওপর চাপ কিছুটা কমবে।
অন্যদিকে বিদ্যমান আয়কর আইনে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেল মালিকরা তাদের অগ্রিম আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারেন।