নিউজিল্যান্ড সিরিজ চলাকালীনই ফাইনালের জন্য নাহিদ রানাকে দলে চেয়েছিল পেশোয়ার। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়ে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই তরুণ পেসার।
লাহোরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ কিংসম্যান ১৮ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সাইয়ুম আইয়ুব। তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি তাদের।
বল হাতে পেশোয়ারের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন হার্ডি, ২৭ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। নাহিদ রানা ২২ রানে ২ উইকেট শিকার করে দারুণ সহায়তা করেন। এছাড়া মোহাম্মদ বাসিত ও সুফিয়ান মুকিম একটি করে উইকেট নেন।
১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পেশোয়ার। প্রথম ওভারেই মোহাম্মদ হারিস ও বাবর আজম আউট হলে চাপে পড়ে দলটি। পাওয়ার প্লেতেই আরও দুই উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়।
তবে ইনিংসের হাল ধরেন হার্ডি ও আব্দুল সামাদ। তাদের ৮৫ রানের জুটি দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেয়। সামাদ ৪৮ রান করে আউট হলেও হার্ডি অপরাজিত থাকেন ৫৬ রানে। শেষদিকে ফারহান ইউসুফের বাউন্ডারিতে ১৫.২ ওভারে জয় নিশ্চিত করে পেশোয়ার।
এই জয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও পিএসএলের মুকুট উঠল পেশোয়ার জালমির মাথায়।