এবারের আসরে পেশোয়ারের হয়ে মাত্র ৪টি ম্যাচ খেলেছেন নাহিদ, উইকেট নিয়েছেন ৭টি। পরিসংখ্যান হয়তো চোখে পড়ার মতো নয়, কিন্তু তার গতির ঝড়ই বদলে দিয়েছে ম্যাচের চিত্র। পাকিস্তানের মাটিতে তিনি সর্বোচ্চ ১৫১ কিলোমিটার গতিতে বল করে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের চাপে ফেলেছেন, যা বিশ্লেষকদেরও দৃষ্টি কেড়েছে।
পেশোয়ার জালমির বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে বড় ঘাটতি ছিল একজন ধারাবাহিক গতিময় পেসার। সেই শূন্যতা পূরণ করেছেন নাহিদ রানা, যিনি নিয়মিত ১৪৫ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করে ব্যাটারদের ভোগান্তিতে ফেলছেন। তার অতিরিক্ত বাউন্স ও গতি নিয়ে সাবেক ক্রিকেটাররা মন্তব্য করেছেন, এটি পাকিস্তানের ব্যাটিং দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে।
শুরুতে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড পিএসএল ফাইনালের জন্য তাকে ছাড়পত্র দিতে চায়নি, বিশেষ করে আসন্ন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের কারণে। তবে পেশোয়ার জালমির চেয়ারম্যান জাভেদ আফ্রিদির বিশেষ অনুরোধের পর সিদ্ধান্ত বদলায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের মতে, এমন বড় মঞ্চ নাহিদের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
পেশোয়ারের স্পিন বিভাগে সুফিয়ান মুকিম ভালো করলেও, পেস আক্রমণে বাড়তি শক্তি হিসেবে নাহিদই এখন দলের প্রধান অস্ত্র। এর আগে করাচি কিংসের বিপক্ষে এক ম্যাচে ২০টি ডট বল দিয়ে তিনি নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
আজ রাত ৮টায় শুরু হতে যাওয়া ফাইনালে তাই নজর থাকবে বাংলাদেশের এই তরুণ গতিদানবের দিকে। পেশোয়ার জালমি কি পারবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে—সেই উত্তর হয়তো লুকিয়ে থাকবে নাহিদ রানার গতির বলেই।