পোস্টে তিনি বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করার এই আয়োজন দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঐতিহ্যবাহী ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এবার ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের প্রতিভা তুলে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, খেলাধুলা এখন আর কেবল বিনোদন নয়; এটি বিশ্বব্যাপী একটি সম্মানজনক ও লাভজনক পেশা। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং খেলোয়াড়দের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
এই উদ্যোগের আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করে তাদের জন্য একটি টেকসই ও পেশাদার প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকাসক্তি, সামাজিক অবক্ষয় ও অতিরিক্ত ডিভাইস-নির্ভরতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শিশুদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দলগত চেতনা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
নির্বাচিত খেলোয়াড়দের জন্য রাষ্ট্রীয় ক্রীড়াবৃত্তি, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর মাধ্যমে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সুনাম বয়ে আনবে।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই উদ্যোগ দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক ও টেকসই পরিবর্তন আনবে।