স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে আব্দুল মান্নান ইছাখালী সীমান্তে ১২৪/৪-এস নম্বর পিলারের কাছে নিজ মরিচখেতে কীটনাশক দিতে যান। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে ধরে নিয়ে যান। আটক আব্দুল মান্নান ইছাখালী মসজিদপাড়ার মৃত নূর বক্সের ছেলে।
কৃষক মান্নানকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সকালের দিকে ১২৩/৩-এস নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছ থেকে ভারতের নদিয়া জেলার লালবাজার গ্রামের দুই নাগরিককে আটক করেন বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। পরে তাঁদের ইছাখালী বিজিবি ক্যাম্পে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনাটির পর সীমান্ত এলাকায় সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আজ বেলা দুইটায় ইছাখালী সীমান্তের শূন্যরেখায় চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সফল আলোচনা শেষে আটক বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানকে বিজিবির কাছে এবং আটক দুই ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, জিরো লাইনের কাছে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে দ্রুত পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে অপরাহ্নে উভয় পক্ষকে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে স্ব-স্ব বাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
ভারতের নবচন্দ্রপুর বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রাজিব কুমার। ইছাখালি বিজিপি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবু হানিফ পতাকা বৈঠকের নেতৃত্ব দেন।