সভায় মেডিকেল বর্জ্য পৃথকভাবে সংরক্ষণের জন্য প্রতিটি হাসপাতাল, কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পত্র প্রেরণ এবং মেডিকেল বর্জ্য পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না তা তদারকির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১ জন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ১ জন, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১জন, বেসরকারি হাসপাতাল, কিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স সমিতির ১ জন এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২ জন প্রতিনিধির সমন্বয়ে ৬সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট-এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া কেসিসি’র রাজবাঁধ ট্রেন্সিং গ্রাউন্ডে নবনির্মিত মেডিকেল বর্জ্য ট্রিটমেন্ট প্লান্ট দ্রুত চালু করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়।
মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটির সদস্য কেএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর-খুলনার উপপরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম, খুলনা প্রেস কাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মো: রবিউল ইসলাম, কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আনিসুর রহমান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো: অহিদুজ্জামান খান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, ইউনিসেফ-এর ওয়াশ প্রোগ্রামের কর্মকর্তা নওশাদ আকরাম, পরামর্শক মো: আব্দুল আজিজসহ মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়োজিত বেসরকারি সংস্থা প্রদীপন ও সাদিচ্ছার প্রতিনিধিগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।