অভিযোগ উঠেছে , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও অনেক সময় তিনি ফোন ধরেন না। পরবর্তীতে বিষয়টি জানিয়ে মেসেজ পাঠানো হলেও তার উত্তর পাওয়া যায় না। কয়েকজন সাংবাদিক অভিযোগ তুলে বলেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন আসার পর কোনোদিনও কল ধরেন নি।
সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে একজন সরকারি কর্মকর্তার নিয়মিত যোগাযোগ না থাকায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য যথাসময়ে গণমাধ্যমে তুলে ধরা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে হাসপাতালের চিকিৎসক উপস্থিতি, রোগীদের সেবা, ওষুধের সরবরাহ, বিভিন্ন কর্মসূচি ও স্বাস্থ্যসেবার অনিয়ম-অভিযোগের বিষয়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় সাংবাদিক আবু বক্কর ও রোগী আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা অফিসে এসে তাকে পাই না। কোনো বিষয়ে তথ্য জানতে কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন না ধরলে বা বার্তার উত্তর না দিলে বিষয়টির সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে একপাক্ষিকতার ঝুঁকিও তৈরি হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের কার্যকর যোগাযোগ বজায় থাকলে জনস্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।