বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত নয়টার দিকে মহিপুর থানা পুলিশের সহায়তায় কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক এই দণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইনসান উদ্দিনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন জেলে।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুল জলিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি বাগেরহাটের এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে ওই তরুণীকে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে আসেন জলিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে জলিলের স্ত্রী এবং ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে তার প্রতারণার বিভিন্ন প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক জানান, ‘‘ওই যুবকের বিরুদ্ধে এর আগেও বেশ কয়েকটি প্রতারণার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তার স্ত্রীও আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রেমের ফাঁদে তরুণীদের সঙ্গে প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকি সদস্যদেরও দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’’