আয়োজকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমিয়ে একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতেই এই বিশেষ আলোচনার আয়োজন করা হচ্ছে। এজন্য শহরজুড়ে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা কার্যত ইসলামাবাদকে একটি ‘নিয়ন্ত্রিত কূটনৈতিক অঞ্চলে’ পরিণত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দুই পক্ষের মধ্যে আস্থার ঘাটতি এবং চলমান সংঘাতের প্রভাব। এর মধ্যেই বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তির ভূমিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
পাকিস্তানকে এই উদ্যোগে শুধু আয়োজক নয়, বরং মধ্যস্থতাকারী শক্তি হিসেবেও দেখা হচ্ছে। সৌদি আরব ও চীনসহ কয়েকটি দেশও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ব রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যদি এই আলোচনা সফল হয়, তবে তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। আর ব্যর্থ হলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এখন পুরো বিশ্বের নজর ইসলামাবাদের দিকেই—এই উদ্যোগ শান্তির নতুন দিগন্ত খুলবে নাকি নতুন জটিলতা তৈরি করবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।