সিপিডির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৬০ লাখের বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশা চলছে। এর মধ্যে রাজধানীতেই রয়েছে প্রায় ২০ লাখ। প্রতিটি রিকশায় ৪ থেকে ৬টি (১২ ভোল্ট) ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, যা চার্জ দিতে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য বলছে, রাজধানীতে বৈধ চার্জিং স্টেশন থাকলেও অন্তত ৪৮ হাজারের বেশি অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট এবং শত শত গ্যারেজ রয়েছে, যেখানে সরাসরি বিদ্যুতের খুঁটি বা অবৈধ সংযোগ থেকে চার্জ দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অবৈধ সংযোগ ও চার্জিংয়ের কারণে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর বাড়ছে অতিরিক্ত চাপ।
বুয়েট ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশার চার্জিংয়েই খরচ হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সংকট আরও বাড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই খাতকে নিয়ন্ত্রণে আনা না হলে বিদ্যুৎ অপচয়, অবৈধ সংযোগ ও সিস্টেম লস আরও বৃদ্ধি পাবে। তারা বৈধ চার্জিং ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, সৌরশক্তিভিত্তিক চার্জিং এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছেন।