দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মুখোমুখি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠককে ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম কূটনৈতিক উত্তেজনা।
লেবাননে ইসরাইলি হামলা নিয়ে শেষ মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হলেও তেহরান শর্তসাপেক্ষে আলোচনায় অংশ নিতে রাজি হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠকের আগে একটি সমঝোতামূলক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ টেলিভিশন ভাষণে বলেন, এই সংলাপ শান্তির পথে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি একে “হয় সফল, নয় ব্যর্থ”—এমন একটি মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, সঙ্গে স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনার।
আলোচনায় মূল ইস্যু হিসেবে থাকছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌচলাচল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রশ্ন।
বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাপক মতপার্থক্যের কারণে এই বৈঠকে বড় অগ্রগতি না এলেও এটি ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমঝোতার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।