পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করা এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে কোনো বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।
সংঘাত চলাকালে ইরান সরাসরি সামরিক হামলার পাশাপাশি কৌশল বদলে হরমুজ প্রণালিকে চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর বাড়ে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এ প্রণালিকে কেন্দ্র করে নতুন কৌশলগত সুবিধা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলেও জানা যায়। এমনকি ইরানের পার্লামেন্টে জাহাজ চলাচলের ওপর শুল্ক আরোপের প্রস্তাবও উঠেছে।
তবে ইরান একদিকে যেমন এটিকে বিজয়ের কৌশল হিসেবে উপস্থাপন করছে, অন্যদিকে বাস্তবতা আরও জটিল। নিষেধাজ্ঞার চাপ, সামরিক ক্ষতি এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে যেকোনো নতুন পদক্ষেপ শুধু কৌশলগত বিজয় নয়, বরং বৈশ্বিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে—যার প্রভাব পড়তে পারে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায়।