সর্বশেষ আপডেটে যুক্ত হয়েছে গুগলের জেমিনি ওমনি মডেল। এটি লিখিত নির্দেশনা ও রেফারেন্স ছবি বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও তৈরি করতে সক্ষম। পাশাপাশি ভিডিওর পেছনের দৃশ্য পরিবর্তন, আলো সমন্বয় এবং বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট যোগ করার সুবিধাও থাকছে। ধাপে ধাপে সম্পাদনার সুযোগ থাকায় পুরো ভিডিও নতুন করে তৈরি করার প্রয়োজন হবে না।
শুরুতে গুগল ভিডস মূলত অফিসের উপস্থাপনা তৈরির একটি টুল হিসেবে চালু হয়েছিল। নতুন ফিচারগুলোর মাধ্যমে এটিকে পূর্ণাঙ্গ এআই ভিডিও তৈরির প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চায় গুগল। ফলে ব্যবসা, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য মানসম্মত ভিডিও তৈরি আরও সহজ হবে।
নতুন সুবিধার মাধ্যমে হেইজেন, সিন্থেসিয়া, ক্যাপশনস এবং ডি-আইডি–এর মতো এআই ভিডিও প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামছে গুগল। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি ব্যক্তিগত এভাটার সংশ্লিষ্ট গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এছাড়া এআই-নির্মিত ভিডিওতে অদৃশ্য সিন্থআইডি ডিজিটাল ওয়াটারমার্কও যুক্ত করা হবে।
প্রাথমিকভাবে এই সুবিধা নির্দিষ্ট কয়েকটি অঞ্চলের ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের আরও অঞ্চলে এটি উন্মুক্ত করা হবে।