নাসা জানিয়েছে, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়ন, চাঁদের পৃষ্ঠে কাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ মহাকাশ অবকাঠামো নির্মাণসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পে সংস্থাটির অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
নাসার গবেষণা ও প্রযুক্তি মিশনের উন্নত গবেষণা ও প্রযুক্তি বিভাগের পরিচালক গ্রেগ স্টোভার বলেন, বাণিজ্যিক খাতের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে চাঁদ, মঙ্গল ও আরও দূরবর্তী মহাকাশ অভিযানের প্রযুক্তি দ্রুত উন্নয়ন করতে চায় নাসা। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের মহাকাশভিত্তিক অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।
নাসা জানায়, এই সহযোগিতা চুক্তির আওতায় কোনো অর্থ লেনদেন হবে না। তবে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো নাসার গবেষণাগার, সফটওয়্যার, যন্ত্রপাতি এবং বিশেষজ্ঞদের সহায়তা ব্যবহার করে নিজেদের প্রযুক্তি উন্নয়নের সুযোগ পাবে। প্রতিটি প্রকল্পের মেয়াদ সাধারণত ১২ থেকে ২৪ মাস হবে।
নির্বাচিত ৩৭ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিয়াটল অঞ্চলের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো হলো অ্যারোজেট রকেটডাইন, ব্লু অরিজিন, স্টারক্লাউড, স্টোক স্পেস এবং জেনো পাওয়ার সিস্টেমস। এসব প্রতিষ্ঠান মহাকাশযানের চালনা ব্যবস্থা, চন্দ্রযান, পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট, মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টার এবং পারমাণবিক ব্যাটারিসহ বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।
এ ছাড়া তালিকায় লকহিড মার্টিন, অ্যাক্সিওম স্পেস, অ্যাস্ট্রোবোটিক টেকনোলজি, মেড ইন স্পেস, ম্যাক্স স্পেস, অরবিটাল কম্পোজিটস ও টেলিডাইন এনার্জি সিস্টেমসসহ আরও ৩২টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে।
নাসার ভাষ্য, সরকারি গবেষণা ও বেসরকারি প্রযুক্তি খাতের সমন্বয়ের মাধ্যমে চাঁদ ও মঙ্গলে ভবিষ্যতের মানব মিশনকে আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।