রোববার ( ২ আগস্ট) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
গ্রেপ্তারকৃত মেহেদুল ইসলাম সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে। অপহৃত শিক্ষার্থী কিশামত শেরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী এবং তারবিয়াতুল উম্মা মহিলা মাদ্রাসায় আরবি লেখাপড়া করছিলেন
র্যাব জানায়, ওই শিক্ষার্থী কিশামত শেরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় যাতায়াতের সময় আসামি মেহেদুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে প্রেমের প্রস্তাব দিয়া আসছিল। কিন্তু শিক্ষার্থী আসামির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনাটি মেহেদুল ইসলামের বাবা মাকে অবগত করেন। তারা জানার পর মেহেদুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। অবশেষে ৬ জুন সকালের দিকে ওই শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে সাদুল্লাপুর উপজেলা এলাকার দক্ষিণ কাজীবাড়ি সন্তোলা এলাকা থেকে আসামি মেহেদুল ইসলাম অন্যান্য আসামির সহায়তায় শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে অটোরিক্সা যোগে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ১২ জুন ওই শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামিগণ গা ঢাকা দেয়। এরপর থেকে আসামিদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী । এক পর্যায়ে গত শনিবার ১ আগস্ট রাত প্রায় ১০ টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ভলাইল মরাখালপাড় এলাকায় গাইবান্ধা র্যাব-১৩ এবং নারায়ণগঞ্জ র্যাব-১১ ক্যাম্পের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে মেহেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেন। একই সঙ্গে ওই এলাকা থেকে অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।
গাইবান্ধা র্যাব ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামি মেহেদুল ইসলামকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।