শনিবার ( ৩ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের গেন্দুরাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত যুবক হোসাইন মিয়া ওই গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, গেন্দুরাম গ্রামের খামারী মজনু মিয়ার রোগাক্রান্ত একটি বকনা বাছুর জবাই করা হয়। এ খবর পেয়ে প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আফতাব আল আকাশ।
ওই অভিযানে রোগাক্রান্ত গরু জবাই এর বিষয়টি নিশ্চিত ভাবার পর জবাই করি ওই যুবক হোসাইন মিয়াকে ভ্রাম্যমান আলোকে হাজির করা হয়। পরে রোগাক্রান্ত পশু জবাই এর অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে জনসাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি বিবেচনায় জবাই করা গরু মাংসগুলো মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়েছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের প্রসিকিউটর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ভেটেনারিস সার্জন ডাক্তার মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।এ ঘটনা সত্যতা প্রমাণ পাওয়া মাংসগুলো মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের সত্যতা মিলায় আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে জবাই করা গরুর মাংস মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়েছে।