এদিকে বৈরী আবহাওয়ায় নিউমোনিয়া, জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়াজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দিয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন ফেনী জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগে সোমবারও (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় গরমের অনুভূতি ছিল বেশি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ ও তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় বাইরে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তিও বাড়ে। বিশেষ করে রিকশা ও অটোরিকশাচালক, শ্রমজীবী মানুষ এবং খোলা আকাশের নিচে কাজ করা ব্যক্তিদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ফেনী শহরের বিভিন্ন সড়কে দেখা যায়, প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই বাইরে বের হচ্ছেন না। বাইরে বের হওয়া মানুষের কেউ কেউ ছাতা ব্যবহার করছেন, আবার অনেকে পথের পাশে দাঁড়িয়ে পানি পান করে কিছুটা স্বস্তি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে পড়েছেন রিকশাচালকেরা। দীর্ঘ সময় রোদে রিকশা চালানোর কারণে শরীর ঘেমে একাকার হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এর সঙ্গে বিদ্যুতের লোডশেডিং হওয়ায় ঘরে থাকা মানুষকেও গরমের মধ্যে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।