রোববার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে ফেনী প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে গুমের স্বীকার ব্যক্তিদের স্বজন ও মানবাধিকার সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ফেনী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অধিকার ফেনী ইউনিটের আয়োজনে সমাবেশের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গুমের শিকার মাহবুবুর রহমান রিপনের মা রওশন আরা বেগম। ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এ কে এম আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে অতিথির বক্তব্য রাখেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রবিউল হক রবি, মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, সাপ্তাহিক আনন্দ তারকা'র সম্পাদক এম মামুনুর রশিদ, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মহিউদ্দিন খন্দকার, লায়ন্স ক্লাব অব ফেনীর প্রেসিডেন্ট লায়ন জাফর উল্লাহ।
অধিকার ফেনী ইউনিটের ফোকাল পার্সন সাংবাদিক নাজমুল হক শামীমের সঞ্চালনায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিকার ফেনী ইউনিটের সদস্য জাফর আহমদ ভূঁইয়া।
বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক স্বদেশপত্র সম্পাদক এন এন জীবন, দৈনিক অজেয় বাংলার নির্বাহী সম্পাদক শাহজালাল ভূঁইয়া, এনজিও ফেয়ার এর প্রতিষ্ঠাতা কাজী সালাউদ্দিন নোমান, ক্রিয়া সংগঠক ইমন উল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি) যুব পার্টি'র সদস্য সচিব ইব্রাহিম সোহাগ, ফেনী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমদুল হক খোকন প্রমুখ।
সভায় গুম হওয়া যুবদল নেতা মাবুবুর রহমান রিপনের মা রৌশন আরা পরিবারের কাছে তার ছেলেকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘১২ বছর আগে ২০১৪ সালে আমার ছেলে যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান রিপনকে আইনশৃঙ্খরা বাহিনীর পরিচয়ে (র্যাব) তুলে নিয়ে যায়। যার পেছনে আওয়ামী লীগের ফেনীর এক প্রভাবশালী নেতা জড়িত। রিপন গুম হওয়ার পর আজও তাঁর হসিদ পায়নি। মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। আমার মত অভাগা মা গুমের শিকার হওয়া ছেলের বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে ১২ বছরও মেলেনি বিচার। এই অন্তবর্তীকালীন সরকার আমার ছেলের গুমের বিচার করবে আমি সেই প্রত্যাশা করি। রিপনের মত আর কোন ব্যাক্তি যেন গুমের শিকার না হয় সেজন্য রাষ্ট্রকে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।
মানববন্ধন ও সমাবেশে গুমের শিকার হওয়া যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান রিপনের বড় ভাই মাহফুজুর রহমান সোহাগ, রিপনের চাচা ওয়াহিদুর রহমান, মাসিক মৌলিক পত্রিকার সম্পাদক নুরুল আফসার, সাপ্তাহিক ফেনী সংবাদ'র নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা মুহিত, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী নসু, মানবাধিকার সংগঠক মোস্তফা কামাল বুলবুল, আমিনুল ইসলাম শাহীন, মো. শহিদুল ইসলাম মিশু, সংগঠক রাসেল চৌধুরসহ সাংবাদিক, মানবাধিকার সংগঠক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।