বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আহম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্বানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় ওই চালককে উদ্ধার করে সোনাগাজী হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানান সোনাগাজী থানার ওসি কামরুল ইসলাম।
জানাগেছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে আহম্মদপুর এলাকা থেকে বয়োবৃদ্ধ পিকাপ চালক জয়নাল আবদীন(৬০) জোরপুর্বক অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মহি উদ্দিন মহিন ও সোনাগাজী কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজ উদ্দিনসহ ৪/৫ জন কিশোরগ্যাংয়ের সদস্য। বিকাল তিনটার স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি। রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত জয়নাল আবদীন বলেন, উপজেলার চরকৃঞ্চজয় গ্রামের নুরুল হুদার ছেলে ও যুবদল নেতা মহিন একলাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আমাকে মারধোর করেছে, শরিরে বৈদ্যুতিক শক দিয়েছে। পরে একটি সাদা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়েছে দ্রুত একলাখ টাকা দিতে বলেছে, অন্যথায় চুরির মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমিরাবাদ ইউনিয়নের এক যুবদল নেতা বলেন, এক লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে একজন বয়োবৃদ্ধ পিকাপ চালককে ওরা পশুর মত পিটিয়েছে।
জয়নাল আবদিনের ছেলে তানজিদ হোসেন রকি বলেন, নির্মমভাবে আমার বাবাকে পিটিয়ে ও বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যাচেষ্টা করে চাঁদাদাবি করেছে। সাদাস্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। জড়িতদের উপযুক্ত বিচার চাইলেন তিনি।
সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, জয়নালে দুই হাটুতে কাটা জখম এবং শরিরের অন্তত বিশটি স্থানে নীলাফোলা জখম রয়েছে।
চাঁদাদাবির অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা মহি উদ্দিন বলেন, চুরির ঘটনার বিচার করেছি। এখানে দোষের কি আছে।
সোনাগাজী থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়েছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।