ঐক্যের নেতারা বলছেন, দ্বিতীয় দফার এই লংমার্চে প্রথম কর্মসূচির তুলনায় আরও বেশি নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ হবে। এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ করেছিল জোটটি।
প্রথম লংমার্চে ছয় দফা দাবি সামনে রাখা হলেও এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট দফায়। আগের দাবিগুলোর সঙ্গে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ এবং উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টি যুক্ত হয়েছে।
ছয় থেকে আট দফা
আগের ছয় দফার মধ্যে ছিল- গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকটসহ জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং প্রশাসন ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করা।
পরবর্তী সময়ে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের দাবি যুক্ত করা হয়। এরপর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ায় এবার মোট আট দফা দাবি সামনে এসেছে।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে বিবেচনায় নিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টি কর্মসূচিতে যুক্ত করা হয়েছে।
জোটের নেতারা বলছেন, জাতীয় দাবির পাশাপাশি আঞ্চলিক ইস্যুকেও কর্মসূচিতে যুক্ত করে তারা রাজধানীর বাইরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার করতে চান।
এদিকে লংমার্চ ঘিরে রাজধানীর বাইরে ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনৈতিক উপস্থিতি ধরে রাখার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।