শনিবার (২১ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে বের করে পুলিশের গাড়িতে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয় বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান।
তিনি বলেন, বিকাল ৫টার দিকে সজীবকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয়। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির বেশ কয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী সাংবাদিকদের বলেন, “তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি আমরা। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আমাদের সঙ্গে আসার জন্য সহযোগিতা কামনা করি। তিনি আমাদেরকে সহযোগিতা করেছেন। তাকে আমরা এসপি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।”
এক ঘণ্টারও বেশি জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
তবে, চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি এ পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা তাকে এনেছিলাম। বিষয়টি নিয়ে আমরা এখনো বিস্তারিত কিছু জানাতে পারছি না।”
এদিকে, সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, “সজীবকে আরো অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।”
এদিকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচারের পর রাত ৮টায় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে প্রাথমিক সদস্য পদ সহ যুবদলের সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা করে।