বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে কোনো এক সময় উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের মাটিহাঁস গ্রামের ডহরপুর কালীমাতা মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।
মন্দিরের পুরোহিত শ্রী খগেন্দ্রনাথ প্রামাণিক জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার পূজা-অর্চনা শেষে তিনি মন্দিরে তালা দিয়ে বাড়িতে চলে যান। শুক্রবার সকালে মন্দিরে এসে তিনি দেখতে পান, দান বাক্সটি ভাঙা এবং ভেতরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। একই সঙ্গে মন্দিরের একটি মূর্তিও পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে মন্দিরের পাশের একটি ডোবা থেকে মূর্তিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাটিহাঁস থেকে হাটকড়ইগামী আঞ্চলিক সড়কের পাশের ধানখেতে ‘সন্ন্যাসী ঠাকুর’ নামের আরেকটি মূর্তি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, এ ঘটনায় কাঁসার ঘণ্টা, ত্রিশূল, কাঁসার কাঁসি, কাঁসার প্লেটসহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী এবং দান বাক্সে থাকা টাকা চুরি হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম শুক্রবার বিকেলে বলেন, মন্দিরে চুরি ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় গ্রামের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল থানায় এসে অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে মন্দিরে চুরি ও ভাঙচুরের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে একটি মূর্তি ডোবায় ও আরেকটি ধানখেতে ফেলে রাখা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।