খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও আনন্দ প্রকাশের হিড়িক পড়ে যায়। রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকদের মাঝেও দেখা গেছে উৎসবমুখর প্রতিক্রিয়া। অনেকেই এটিকে বগুড়ার ইতিহাসে “নতুন অধ্যায়ের সূচনা” হিসেবে উল্লেখ করছেন।
স্থানীয়দের মতে, সিটি করপোরেশন বাস্তবায়িত হলে বগুড়ার নগর ব্যবস্থাপনায় আসবে বড় ধরনের পরিবর্তন। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ, যানজট ও নাগরিক সেবার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরীতে রূপ নিতে পারবে শহরটি। একইসঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক সম্প্রসারণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সুপেয় পানি ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল সিটি করপোরেশন। অবশেষে নিকার বৈঠকে সেটি অনুমোদন পেয়েছে। এজন্য বগুড়াবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”
বিএনপি মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এটি শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বগুড়ার উন্নয়ন অভিযাত্রার একটি মাইলফলক। আধুনিক বগুড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এটি বড় অর্জন।”
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেন, “বগুড়া সিটি করপোরেশন অনুমোদন হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর মাধ্যমে উন্নয়ন বঞ্চিত বগুড়া আধুনিক নগরায়ণের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলো।”
একসময় উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বগুড়া এখন প্রশাসনিকভাবেও নতুন মর্যাদার দ্বারপ্রান্তে। নাগরিকদের প্রত্যাশা—শুধু নাম পরিবর্তন নয়, বাস্তব উন্নয়ন ও কার্যকর নগর ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই সত্যিকার অর্থে ‘সিটি’ হয়ে উঠুক বগুড়া।