বুধবার (৬ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বরিশাল নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাসুদ হাওলাদার লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চর ছকিনা এলাকার মৃত আলী আজগরের ছেলে।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন -মো: আক্তার (৪০) রেশমা (৩০),তানভীর (১৮), ফিরোজ (৪০)। আসামিরা উভয় একই এলাকার বাসিন্দা এবং প্রতিবেশী।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়,নিহত মাসুদ ও মো.আক্তার তারা উভয়ই একই বাড়ির বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে মো.আক্তার তার দলবল নিয়ে মাসুদের জমিতে থাকা একটি নারিকেল গাছ থেকে জোরপূর্বক নারিকেল পাড়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে প্রথমে এগিয়ে গিয়ে নিহতের মেয়ে মাসুমা তাদের বাঁধা দিলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর লাঠিঁসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে মাসুদসহ তার পরিবারের ৬ জন ও আক্তারের পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এবং স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তাদের মধ্য থেকে গুরুতর আহত মাসুদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতে বরিশালে নেওয়ার পথে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া এলাকায় এ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে মাসুদ মারা যান। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের মেয়ে মাসুমা বাদী হয়ে আক্তারকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে লালমোহন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার (ওসি তদন্ত) মো.মাসুদ হাওলাদার জানান,,মূলত জমির বিরোধ ও নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহতের মেয়ে মাসুমা ১৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আমরা অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছি,বাকিদের ধরার অভিযান চলছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চললাম রয়েছে।