অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মে মঙ্গলবার সকালে কচুয়া উপজেলার বকুলতলা বাজারে যাওয়ার পথে ভান্ডারকোলা গ্রামের বাসিন্দা রতন দাস (৭০)-এর উপর হামলা চালায় একই এলাকার গোবিন্দ কুমার দাস। কোনো প্রকার উসকানি ছাড়াই তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়। একপর্যায়ে সরকারি সিএন্ডবি খালের পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বর্তমানে গুরুতর আহত রতন দাস কচুয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের দাবি, তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে ঘটনার জের ধরে গত ১৪ মে রাতের দিকে তুষার কুমার দাস ও প্রবীর দাস গোপালের উপর পুনরায় সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন— গোবিন্দ কুমার দাস, গোপী কান্ত দাস, সুমিত্রা রানী দাস, মিতা রানী দাস ও সাথী রানী দাসসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন।
অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী ও সহিংস প্রকৃতির হওয়ায় তারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যেকোনো সময় আবারও হামলার আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
এর আগেও ২০২৪ সালের নভেম্বরে একই পরিবারের উপর গোবিন্দ দাস ও গোপিকান্ত দাস হামলা চালিয়ে বসত ঘর ভাঙচুর ও নারীসহ তিনজনকে আহত করেছিল।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, হামলার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।