সাধারণত প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমার সময় থাকলেও, চলতি বছরে তিন দফা সময় বাড়িয়ে চূড়ান্ত সময়সীমা ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে করদাতারা ঘরে বসেই নির্ধারিত পোর্টালে ই-রিটার্ন জমা দিতে পারছেন। সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনেও এই সেবা চালু থাকবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টিআইএনধারী রয়েছেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪১ লাখ করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন। এছাড়া ৫০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমার জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার পদ্ধতি
১. এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথমে নিবন্ধন করতে হবে।
২. ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
৩. অনলাইনে রিটার্ন জমার ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র আপলোড করার প্রয়োজন নেই; প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
৪. অনলাইনে কর পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি বিকাশ, রকেট ও নগদ ব্যবহার করে কর পরিশোধ করা যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে রিটার্ন জমা দিলে ভুল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে জরিমানা বা আইনি জটিলতার সম্ভাবনা থাকে। তাই সময় মতো রিটার্ন প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্ন দেওয়ার আগে করণীয়
আয়-ব্যয়ের হিসাব আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা।
অনলাইন সিস্টেমে তথ্য যাচাই করা।
জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য পুনরায় পরীক্ষা করা।
প্রয়োজনে কর পরামর্শকের সহায়তা নেওয়া।
কর প্রশাসনের মতে, নির্ধারিত সময়ের আগেই রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা ঝামেলা এড়াতে পারবেন এবং অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারবেন।