আন্দোলনরত কৃষকদের দাবি, কৃষি বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী কোল্ড স্টোরেজে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে ৩ থেকে ৪ টাকা ব্যয় হওয়ার কথা থাকলেও মালিকরা তা ৭ টাকার নিচে নামাতে রাজি নন। মাত্রাতিরিক্ত এই ভাড়ার কারণে আলু উৎপাদন, পরিবহন ও রক্ষণাবেক্ষণে যুক্ত কৃষকরা চরম লোকসানের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এবং উৎপাদন খরচের তুলনায় আলুর বাজারমূল্য কমে যাওয়ায় তারা সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে রয়েছেন।
আলুচাষি নেতা আলতাফ হোসেন ও সরওয়ার আলীর নেতৃত্বে আয়োজিত এই বিক্ষোভে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, আগামী শনিবারের মধ্যে ভাড়া কমানোর দাবি মেনে নেওয়া না হলে রোববার থেকে রংপুরের সব কোল্ড স্টোরেজে গিয়ে কৃষকরা নিজেরাই নিজেদের আলু বের করে নিয়ে আসবেন। এ নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি ঘটলে তার দায় কোল্ড স্টোরেজ মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ব্যবসায়ীরা অচিরেই যৌক্তিক পর্যায়ে ভাড়া নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।