বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে কালিকাঠীতে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকসহ স্থানীয়রা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারী আচরণ, অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত করার অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করানো, প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা এবং প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
অভিভাবক তাসলিমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং তার কাছে প্রাইভেট পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের চাপ দেওয়া হয়। তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে টিফিন না দেওয়া এবং পরীক্ষায় সমস্যায় ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। এছাড়া উপবৃত্তির টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তাসলিমা।
আরেক অভিভাবক অভিযোগ করেন, ছোট শিশুদের ভুলের জন্য তাদের বুঝিয়ে না বলে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের পরিবর্তে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের ওই শিক্ষিকার কাছেই বাধ্যতামূলকভাবে প্রাইভেট পড়তে চাপ দেওয়া হয় এবং অন্য শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহাত খান অভিযোগ করে বলে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন এবং তাদের দিয়ে বিভিন্ন কাজ করান। এছাড়া তার কাছে বাধ্যতামূলকভাবে প্রাইভেট পড়তে বলা হয় এবং অন্য শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়লে ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করে সে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মাৎ জানাতুল ফেরদৌস। তিনি বলেন, “এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”