স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা এলাকা কর্ডন করে রেখে বস্তুগুলোর আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দুপুরেই বেতবাড়িয়া থেকে উদ্ধার হওয়া মাইন সদৃশ বস্তু পরীক্ষা ও উদ্ধারের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বোমা ডিসপোজাল ইউনিট পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সাড়া পাওয়া যায়নি।
তবে পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যশোর সেনানিবাস থেকে একটি বোমা ডিসপোজাল ইউনিট রাতে মেহেরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, বেতবাড়িয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের একটি পরিত্যক্ত জমিতে কয়েকটি অজ্ঞাত বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়। দেখতে অনেকটা মাইন বা বিস্ফোরক সদৃশ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাটি নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে নিয়ে আসে।
ঘটনাস্থলে অন্তত ১০টি চাটকি সদৃশ বস্তু পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এর মধ্যে কয়েকটি বক্সের গায়ে “MPI 1967 MINE A/PERS ND P2 MK2” লেখা রয়েছে। তবে এগুলো প্রকৃতপক্ষে ল্যান্ড মাইন, বোমা নাকি অন্য কোনো ধরনের সামরিক সরঞ্জাম—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মেহেরপুর গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ জানান, ঘটনাস্থল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কর্ডন করে রেখেছেন। বোমা ডিসপোজাল ইউনিট এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে না আসায় স্থানীয়দের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ দল পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করা পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো সম্পর্কে নিশ্চিত করে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।