টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার চলতি মৌসুমে প্রথমবার আল-নাসরের শুরুর একাদশে ছিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। তবে প্রথমার্ধের পরই তাকে তুলে নেন কোচ আঁজে পস্তেকোগলু। তার জায়গায় মাঠে নামেন আবদুল্লাহ আল-খাইবারি।
রোনালদোকে কেন বিরতির পর মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হলো, তা নিয়েও শুরু হয় আলোচনা। সৌদি সাংবাদিক খালিদ আল-শানিফের দাবি, পুরোপুরি শারীরিকভাবে প্রস্তুত না থাকায় বিরতির সময় মাঠ ছাড়ার অনুরোধ করেছিলেন রোনালদো।
তবে রোনালদো মাঠ ছাড়ার পরও ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায়। দুই গোলে পিছিয়ে থাকা এবং ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও দুর্দান্ত লড়াই চালিয়ে যায় আল-নাসর। শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তনে জয় তুলে নেয় তারা।
সতীর্থদের এমন অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ও জয় দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রোনালদো। খালিদ আল-শানিফের দাবি, ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পর্তুগিজ তারকা।
তবে রোনালদোকে তুলে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন আল-নাসর কোচ পস্তেকোগলু। তার ভাষ্য, ম্যাচের আগেই রোনালদোকে ৪৫ মিনিট খেলানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর আগে তিনি একটি ম্যাচে ৩০ মিনিট খেলেছিলেন। ধীরে ধীরে ম্যাচ ফিটনেসে ফেরানোর লক্ষ্যেই এবার ৪৫ মিনিট খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পস্তেকোগলু জানান, আল-নাসর দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর রোনালদো আরও কিছুক্ষণ মাঠে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তটিই সঠিক ছিল বলে মনে করেন কোচ।
শেষ পর্যন্ত রোনালদো মাঠে না থাকলেও আল-নাসরের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখে। আর সেই জয়ের আবেগই নাকি ড্রেসিংরুমে চোখের জলে প্রকাশ করেছেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা রোনালদো।