সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে তেহরান এই অবস্থান জানায়, যেখানে তারা যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে কঠোর অবস্থান বজায় রাখছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
তেহরানের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জবাব এমন এক সময় এলো, যখন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে ফেলা ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস না করা পর্যন্ত এই সংঘাত শেষ হয়েছে বলে ধরা যাবে না।
নেতানিয়াহুর বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে।
তবে ইরান প্রকাশ্যে নিজেদের কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। যদিও কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে রোববার লিখেছেন, ‘আমরা কখনো শত্রুর কাছে মাথা নত করব না। আলোচনা বা সংলাপের অর্থ আত্মসমর্পণ নয়।’
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি’র বরাতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হস্তান্তর করা মার্কিন পরিকল্পনার জবাবে তেহরানের মূল লক্ষ্য হলো, ‘সব রণাঙ্গনে বা সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবাননে’ যুদ্ধ শেষ করা।
এখানে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল।
পাশাপাশি ‘জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার’ বিষয়েও ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে মূলত পারস্য উপসাগরে যুদ্ধবিরতি আরও বাড়িয়ে চূড়ান্ত সমঝোতার জন্য আলোচনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল, যাতে সংঘাতের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করা যায় এবং এর পাশাপাশি ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়।