অভিযোগ অনুযায়ী, ১৭ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশি নারী, যিনি তিন মাসের শিশুর মা, স্বামীর সাময়িক অনুপস্থিতির সুযোগে একই বাসার সাবলেট ভাড়াটে এক ব্যক্তির দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন। ঘটনাটি নবজাতক শিশুর উপস্থিতিতেই ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তদন্তের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় ইতালির কারাবিনিয়েরি বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। তারা জানিয়েছে, অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল আবাসিক ভবন হওয়ায় তদন্তে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি ও কিছু রাজনৈতিক মহল ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কিছু প্রতিনিধিও এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ইতালির ২০২৪ সালের স্বাস্থ্য ও ফরেনসিক প্রোটোকল অনুযায়ী, এ ধরনের ঘটনায় জরুরি চিকিৎসা, ফরেনসিক পরীক্ষা এবং মনোসামাজিক সহায়তা একযোগে প্রদান করা হয় এবং ভুক্তভোগীর তথ্য সর্বোচ্চ গোপনীয়তায় রাখা হয়।