লারেডো পুলিশ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা হোসে এসপিনোজা জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একটি কার্গো ট্রেনের বক্সকারের ভেতর মরদেহগুলো পাওয়া যায়। শহরটি সান আন্তোনিও থেকে প্রায় ১৬০ মাইল দক্ষিণে এবং মেক্সিকো সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
পুলিশের মুখপাত্র জো বায়েজা বলেন, এখনো মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। রেলইয়ার্ডের এক কর্মচারীর ফোন পাওয়ার পর নিয়মিত পরিদর্শনের সময় বগির ভেতর মরদেহগুলো শনাক্ত করা হয়।
ঘটনার দিন লারেডোতে তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি ছিল। তবে অতিরিক্ত গরমেই তাদের মৃত্যু হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
ইউনিয়ন প্যাসিফিক এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে “অত্যন্ত দুঃখজনক” বলে উল্লেখ করে জানিয়েছে, তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।
মৃতদের পরিচয়, বয়স বা অভিবাসন-সংক্রান্ত কোনো তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশন এবং টেক্সাস রেঞ্জার্স যৌথভাবে তদন্ত করছে।